কম্পেশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, ধামইরহাট

 এনজিও সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:

কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ২০০৪ সালে এনজিও ব্যুরো অনুমোদন নিয়ে কাজ শুরু করেন । প্রথমত, বিভিন্ন জেলায় চাইল্ড ডেভল্পমেন্ট স্পন্সরশীপ প্রকল্প মাধ্যমে কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলায় বিড়াডাঙ্গা চাইল্ড ডেভল্পমেন্ট স্পন্সরশীপ প্রকল্প বিডি-২৩২ এর মধ্য দিয়ে প্রথমত ১৫০ জন শিশু নিয়ে এই প্রকল্প শিশুদের শিক্ষা,শারিরীক,সামাজিক শিক্ষার মাধ্যমে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে ২৫০ জন শিশুর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ একটি বেসরকারী , অরাজনৈতিক এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যেটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতি,বর্ণ,ধর্ম নির্বিশেষে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের দারিদ্রের দুষ্ট চক্র থেকে মুক্ত করতে আমরা অঙ্গিকারাবদ্ধ। কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ মনে করে যে, প্রতিটি শিশুই মূল্যবান; তাই তাদের প্রত্যেকেরই অধিকার আছে একটি নিরাপদ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে সুনাগরিক হিসেবে বেড়ে ওঠার। কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মিশন এবং ভিশন হল,“ শিশুদের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং শারীরিক দারিদ্রতা থেকে মুক্ত করা এবং তাদেরকে সুযোগ্য এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।

 
 

বর্তমান প্রকল্প সমূহ :

‘‘ বিড়াডাঙ্গা চাইল্ড ডেভল্পমেন্ট স্পন্সরশীপ প্রকল্প ’’।

মাসিক কার্যক্রমের বিবরন নিম্নে দেওয়া হইল :


১. শারীরিকঃ
উদ্দেশ্য- স্বাস্থ্য সেবা,পুষ্টি,টিকা দান,স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিনের ব্যবহারও শিক্ষা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দরিদ্র শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবদান রাখা। স¦াস্থ্য সরঙ্জাম যেমন: পুষ্টিকর খাবার,তেল,সাবান,পোষক,জুতা নিয়মিত প্রদান করা হয়। শিশু অসুস্থ হলে শিশুকে এমবিবিএস ডাক্তারের নিকট সু- চিকিৎসা প্রদান করা হয়।সকল শিশুর বছরে একবার এমবিবিএস ডাক্তার দ্বারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।

২. শিক্ষাঃ
উদ্দেশ্য- শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক,অপ্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরী শিক্ষা,নৈতিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে মেধা বিকাশে সহায়তা করা এবং স্কুল থেকে ঝরে পরা রোধ করা। শিক্ষা উপকরন যেমন: স্কুল ফি,খাতা ও কলম,স্কুল ব্যাগ,জ্যামিতি বক্র,ক্যালকুলেটার শিশুদের মধ্যে নিয়মিত প্রদান করা হয়।

৩. সামাজিকঃ
উদ্দেশ্য- শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে অভিভাবক তথা স্থানীয় জনগনকে সচেতন করে শিশু বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভ’মিকা রাখা।বিভিন্ন দিবস উদ্যাপন করার মধ্য দিয়ে শিশুদের দেশের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্বা প্রদর্শন করা । বিভিন্ন সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও খেলা ধুলায় শিশুদের প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করানো।
       

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা :

শিশুদের শিক্ষা,অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং শারীরিক দারিদ্রতা থেকে মুক্ত করা এবং তাদেরকে সুযোগ্য এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।শিশু স্বাবলম্বি হয়ে যেন আত্ম নির্ভরশীল হতে পারে