বরেন্দ্র ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (বিডিও)

সংস্থার পটভূমিঃ

বরেন্দ্র ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (বিডিও) দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত বৃহত্তর রাজশাহী জেলার বরেন্দ্র এলাকার কেন্দ্রে অবস্থিত নিয়ামতপুর, মান্দা,রানীনগর, নওগাঁ সদর, সাপাহার ও পোরশা (নওগাঁ), নাচোল ও গোমস্তাপুর (চাঁপাই নবাবগঞ্জ), তানোর, চারগাট পুঠিয়া (রাজশাহী), নাটোর সদর ও বড়াইগ্রাম (নাটোর), আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) উপজেলায় কর্মরত একটি বে-সরকারী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। বরেন্দ্র এলাকা দেশের অন্যতম পশ্চাদপদ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং অর্ধ-মরু এলাকা হিসাবে চিহ্নিত। ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থা ‘বরেন্দ্র এলাকা’ নামকরণের সার্থকতা বহন করছে। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৯০ফুট উচু এ এলাকায় আবহাওয়া রুক্ষ (তাপমাত্রা ঢাকার চেয়ে ৩/৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস কম-বেশী, সর্বনিম্ন ৪ থেকে সর্বোচ্চ ৪৬ ডিগ্রী পর্যন্ত হয়ে থাকে), গড় বৃষ্টিপাত কম (ঢাকার অর্ধেক-৫০/৫৫ ইঞ্চি), খরায় ধূলা আর বর্ষায় প্রচন্ড পিছলা কাদা, জমির উর্বরা শক্তি কম এবং মাটি অম্লয় ধর্মী, (জাতীয় গড় ফলনের চেয়ে ৩০% কম ফলন হয় অথচ প্রতি বছর গড়ে ০৫% হারে উৎপাদন খরচ বাড়ছে), ফসলের ঘনত্ব ২.২৫, ব্যবসা বানিজ্যের প্রসার সীমিত। সামগ্রিকভাবে জাতীয় গতিধারা থেকে বিচ্ছিন্ন এ এলাকায় পুরাতন মূল্যবোধ সমাজ ও মনজগৎ শাসন করছে। অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করছে, বিশেষতঃ নৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠি এখানে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ অবস্থার প্রধান শিকার নৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠি, নারী এবং শিশুরা। এ অবস্থা পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে একদল প্রতিশ্রুতিশীল যুবকের উদ্যোগে ‘ঐক্যই চেতনা- চেতনাই উন্নতি’ এ শ্লে¬াগানের ভিত্তিতে ১৯৮৭ সালে গড়ে উঠে বরেন্দ্র ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (বিডিও)। সংস্থা তার কার্যক্রম বৃহত্তর পরিসরে পরিচালনার সুবিধার্থে ১৯৯০ সালে সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে এবং ১৯৯২ সালে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো থেকে রেজিস্ট্রেশন গ্রহন করে।   পরবর্তী প্রায় ২৫ বছর যাবৎ সংস্থা দেশী-বিদেশী বিভিন্ন দাতা সংস্থা এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে এলাকার দরিদ্রদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রেখে আসছে। এ সকল কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সংস্থা যেমন জনগনের প্রচন্ড আস্থা অর্জন করেছে, শক্তিশালী গণভিত্তি গড়ে উঠেছে তেমনি সংস্থা অর্জন করেছে বিভিন্ন ইতিবাচক ও নেতিবাচক অভিজ্ঞতা যার যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে সংস্থা নিজস্ব পলিসি এবং ব্যবস্থপনা উন্নয়নের প্রয়াস পেয়েছে। ইতোমধ্যে সংস্থা কমিউনিটি এইড্ এ্যাব্রোড-সিএএ (অস্ট্রেলিয়া)’র সহায়তায় বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশিক্ষণ (সচেতনতা ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক) কার্যক্রম ও ঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন; ইউ এস এ আই ডি’র সহায়তায় ‘জব্স্’ প্রোগ্রাম, ইউরোপীয় কমিশন ও মহিলা অধিদপ্তরের সঙ্গে ‘ইউ পি ভি জি ডি’ প্রোগ্রাম, আই ভি এস’র সহায়তায় ‘ট্রেকেল আপ’ প্রোগ্রাম, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী ও মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে ‘খাদ্য সহায়তায় মৎস্য সেক্টরে পল্ল¬ী উন্নয়ন প্রকল্প’, অক্সফ্যাম-জিবি’র সহায়তায় আদিবাসী উন্নয়ন প্রোগ্রাম এবং রেজিঃ প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য কার্যক্রম, ‘মানুষের জন্য’ ও আঁন্ধেরি হিল্ফে-জার্মানী’র সহায়তায় আদিবাসী উন্নয়ন প্রকল্প, আঁন্ধেরি হিল্ফে-জার্মানী’র আরেকটি উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা হচ্ছে চক্ষু রোগের চিকিৎসা এবং সোলার বাতি সরবরাহ। সংস্থা বিএনএসবি ময়মনসিংহ এবং খঞ্জনপুর মিশন হাসপাতালের সহযোগিতায় এপর্যন্ত ৮০৫ জন ছানি রোগীকে বিনা পয়সায় লেন্স সংযোজনসহ ছানি অপারেশন, নিয়ামতপুর উপজেলার সকল প্রাথমিক স্কুল ও এবতেদায়ী মাদ্রাসার ২জন করে শিক্ষককে প্রাথমিক ওরিয়েন্টেশন প্রদানসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ এবং ৬৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীদের চোখ পরীক্ষা করে ৫৩জনকে বিনা পয়সায় চশমা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় ‘গৃহায়ন’ কার্যক্রম, ডি এন এফ পি’র ‘গণশিক্ষা’ কার্যক্রম ও পরে অব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম (বাস্তবায়ন ও মনিটরিং), ব্র্যাকের সহায়তায় শিশু শিক্ষা কার্যক্রম ও মানবাধিকার কার্যক্রম, প্রশিকার সহায়তায় বয়স্ক ও শিশু শিক্ষা প্রোগ্রাম, সমতার সহায়তায় ভূমি অধিকার কার্যক্রম, এএলআরডি'র সহায়তায় ‘জনগন কেন্দ্রীক ভূমি ও কৃষি সংস্কার' প্রোগ্রাম, কেয়ার-বাংলাদেশ’র সহায়তায় ‘ফসল’ এবং ‘সমষ্টি’ প্রকল্প, হাইসাওয়া ফান্ডের সহযোগিতায় ‘হাইসাওয়া প্রকল্প’, এনজিও ফোরামের সহায়তায় স্যানিটেশন বিষয়ক সচেতনতা ও তারা পাম্প সরবরাহ, নিজেরা করি, প্রশিকা ও অক্সফাম-জিবি, এ্যাকমন এইড’র সহায়তায় বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৪০ হাজার রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান, প্রায় ৩ হাজার পরিবারকে কৃষি ও পুনর্বাসন সহায়তা, প্রায় ৬ হাজার পরিবারকে শীতবস্ত্র প্রদান, এসডিসি’র টেকনিক্যাল সহায়তায় নার্সারি তৈরী, গণস্বাক্ষরতা অভিযান, শিশু অধিকার ফোরাম ও আমার অধিকার ক্যাম্পেইনের সহায়তায় বিভিন্ন দিবস ও সেমিনার বাস্তবায়ন করেছে। সংস্থা স্থানীয় ও জাতীয় ১২টি নেটওয়র্কের সঙ্গে সম্পর্কিত থেকে দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পেয়ে আসছে। দাতা সংস্থাসমূহ ও বিভিন্ন নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় সংস্থা প্রয়োজনীয় প্রায় সকল প্রকার ম্যানুয়েল ও মডিউল তৈরী করতে সক্ষম হয়েছে।   বর্তমানে সংস্থার কাজের মূল ফোকাস হচ্ছে - ক. নৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠির উন্নয়ন, খ. ভূমি অধিকার, গ. শিশু বিকাশ, ঘ. শিক্ষা, ঙ. জেন্ডার, চ. কৃষি ও পরিবেশ, ছ. স্বাস্থ্য ও স্যনিটেশন, জ. গণসংস্কৃতি, ঝ. দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং ঞ. সু-শাসন ও মানবাধিকার। উক্ত কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নে বর্তমানে আঁন্ধেরি হিলফে-জার্মানী, একশন এইড, কেয়ার বাংলাদেশ, এনজিও ফাউন্ডেশন এবং মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর-এর সহায়তা অব্যাহত আছে। সংস্থা প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়নে দরিদ্রদের অধিকারের প্রশ্নকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করে থাকে এবং একই সাথে অধিকার ও সেবামূলক কাজের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে কাজের গুনগতমান অক্ষুন্ন রাখতে সচেষ্ট। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি কাজের মধ্যে জেন্ডার, স্যানিটেশন, এইচআইভি/এইডস্ ও পরিবেশের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে। সংস্থা বর্তমানে ৩টি জেলায় ৬টি উপজেলায় ৩১টি ইউনিয়নে ৬৫৬টি গ্রামে ৭১২ টি গ্রুপের মাধ্যমে ৩০,৫৮৮ জন (২৪,৪৩২ জন মহিলা ও ৬,১৫৬ জন পুরুষ) দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে সংগঠিত করেছে। সংগঠিত জনগোষ্ঠির মধ্যে প্রায় ৫৯০টি পরিবার (এর মধ্যে ২২৫টি নৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠি পরিবার) সরকারী খাস জমিতে বসতবাড়ী করে বসবাস করছে যেগুলি জালিয়াতরা জাল করে অবৈধভাবে দখল করত। বর্তমানে কেবলমাত্র নৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠির দলসদস্যগন বিভিন্নভাবে ৬৭টি পুকুর আয়ত্বে এনে মাছ চাষ করছে। দীর্ঘ সময় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থেকে সংস্থা লক্ষ্য করেছে যে,  
  • দরিদ্র মানুষকে কার্যকরভাবে সংগঠিত ও সচেতন করতে পারলে তারা নিজেদের সমস্যা নিজেরাই অনেকাংশে সমাধান করতে পারে
  • ইস্যু নির্ধারনের ক্ষেত্রে তাদের জীবন ঘনিষ্ট ইস্যু নির্ধারণ করা প্রয়োজন,
  • সংস্থাকে তাদের বিশ্বাস যোগ্যতা সৃষ্টি করতে হয়
  • তাদের প্রত্যক্ষ স্বার্থ এবং চেতনার মাত্রার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কার্যক্রম গ্রহন করতে হয়
  • উপর থেকে চাপিয়ে দেয়া ইস্যুতে তাদের সক্রিয় এবং স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা থাকেনা
  • তাদের প্রথা গত বিশ্বাস এবং আচরণকে সম্মান করতে হয়
  • নৃ- জনগোষ্ঠির পাশাপাশি বাঙ্গালী গ্রুপ থাকলে পরস্পরের সহায়তায় তারা অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ সকল কাজে সাহসী এবং অগ্রনী ভূমিকা রাখতে পারে
  • ক্ষুধার্ত মানুষ ধ্বংসাত্বক হয়, প্রতিবাদী হতে পারেনা।
  বিডিও’র রয়েছে একটি ম্যানেজমেন্ট টিম এবং একগুচ্ছ দক্ষ ও আন্তরিক স্টাফ যারা যেকোন প্রকল্পকে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম। প্রশাসন এবং দাতা সংস্থাসমূহের সঙ্গে রয়েছে সু-সম্পর্ক। সাধারণ মানুষ বিষেশতঃ দরিদ্র মানুষের সঙ্গে রয়েছে নিবিড় এবং অচ্ছেদ্য সম্পর্ক। কাজেই বিডিও স্থির লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে অবিচলভাবে। আগত শোষনমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্নই আমাদের চলার পাথেয়।

সেবাসমুহঃ

বিডিও একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য বিডিও বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে। এগুলোর মধ্যে-
  • দরিদ্রদের মাঝে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান
  • বিনা মুল্যে চক্ষু অপারেশন
  • উপবৃত্তি প্রদান
  • হাঁস, ছাগল ও স্যানিটেশন উপকরণ বিতরণ
  • দরিদ্রদের আইনী সহায়তা প্রদান
  • শীতের কম্বল বিতরণ
  • আয়মুলক ও সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান
 

বিডিও এর থিম্যাটিক এলাকা:

জাতিগত সম্প্রদায়ের অধিকার বিডিও প্রথম অগ্রাধিকার লক্ষ্য অংশগ্রহণকারী জাতিগত সম্প্রদায়ের মানুষ যারা সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয। বিডিও জাতিগত জনগণের চাহিদা, স্থানীয় সরকার এবং অন্যান্য সেবা সরবরাহকারী এজেন্সিগুলির যথাযথ সহযোগিতায় সমস্যা মোকাবেলা করে সমস্ত প্রকল্প ক্রিয়াকলাপের পরিকল্পনা করার চেষ্টা করছে। জাতিগত মানুষ দুর্বলতার এই প্রধান ক্ষেত্রগুলি যেমন- খাস ভূমি, শিক্ষা, ন্যায়বিচার, মদ্যাশক্তি, সহিংসতা ইত্যাদি ব্যবহার করে।  

শিক্ষা:

কমিউনিটি প্রোগ্রামগুলি সাধারণত আনুষ্ঠানিক ও অ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সমন্বিত হয় এবং শিক্ষা কর্মসূচিগুলিতে অংশগ্রহণকারী অনেক সুবিধাভোগী উপকৃত হয়। প্রকল্পগুলি একটি  স্কুলের একটি বন্ধুত্বপূর্ণ শেখার পরিবেশ তৈরি করেছে। অনেক গরিব মেয়েরা এবং ছেলেদের পাশাপাশি এই কর্মসূচিতে শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্য যুদ্ধের মাধ্যমে সংগঠিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষিত হয়। একই সময়ে, সব প্রকল্প ও কর্মসূচি নিয়ে গঠিত বিডিওর একটি ক্রস কার্টিং বিষয় হলো শিক্ষা। উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য ৩১ জন এসএসসির প্রার্থীকে ২১,৭০০ টি লাম্প অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও পিপিএস শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। বাবা-মার সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয ১০০% শিশু প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি হয়। বর্তমানে, ১৩৮ শিশু প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি হয়েছে। প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে, প্রকল্প শিক্ষার সুপারভাইজার নিয়মিত ফলো-আপ করেন।  

কৃষি:

বিডিও পুনর্নবীকরণযোগ্য কৃষি, বিশেষ করে হোল্ড কৃষি উৎপাদন উন্নয়নে অনেক উদ্যোগ নিয়েছে; অংশগ্রহণকারী পরিকল্পনা এবং জনগণের সংগঠনের উন্নয়ন; অধ্যয়ন ও গবেষণা; পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন; উন্নয়নের জন্য অধিকার পদ্ধতি প্রচার; নেটওয়ার্কিং, লবিং এবং এডভোকেসী ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে বীজ, স্প্রিংকলার, কম্পোস্ট সার, প্রযুক্তি ইনিশিয়ালাইজেশন ইত্যাদি প্রয়োজনীয় প্রয়োজনীয়তা প্রদানের ফলে শুরু থেকেই এর বিভিন্ন প্রকল্প এলাকায়।

মানবাধিকার:

স্থানীয়, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির এবং ফোরাম, নীতি সংলাপ, গবেষণা ও প্রকাশনার প্রচার ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রচারের জন্য বিডিও সক্রিয়। সুশাসন, স্থানীয় শাসন ও মানবাধিকার উন্নয়নের জন্য যেসব কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে

পরিবেশ:

বাংলাদেশের বরেন্দ্রভূমির কেন্দ্রস্থলে বিডিও সংস্থার জন্ম। সাধারণভাবে এই এলাকার পরিবেশগত অবস্থার দেশের অন্যান্য অংশ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন। সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো অধিকাংশ জমিতে কম জৈবপদার্থ (<৫%)  চরম গরমের সাথে দীর্ঘমেয়াদী গ্রীষ্মের ঋতু, বার্ষিক বৃষ্টিপাত গড় ২৪০-২৫০   মিমি, তাপমাত্রা(< ৫০ সে.)   ফসল উৎপাদনে সরকারী অনেক পুকুর রয়েছে, অধিকাংশ কৃষকই রাসায়নিক সার ব্যবহার করছে এবং কীটনাশকগুলি উৎপাদন বৃদ্ধি করলেও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত আর শীতের সময় হ্রাস পাচ্ছে না ফলে ফলন ধরনের  পরিবর্তন করতে হবে।  পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে নারীর ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার উন্নয়ন নারী সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে উভয়ই সমাজের সকল অপকর্মের সম্মুখীন হয়, তারা জৈবিকভাবেও শোষিত। সংগঠন বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়সঙ্গত, সক্ষম ও দারিদ্র্যমুক্ত   নারীর ক্ষমতায়ন ভিত্তিক সমাজ চায় । নারী উন্নয়নে মাইক্রো-ফাইন্যান্স প্রোগ্রাম, নারীর ক্ষমতায়ন এবং কিশোরী মেয়েদের  জন্য প্রকল্প চালু করতে পারলে নারীর প্রতি সহিংসতা কমবে।  

পানি,স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি:

বাংলাদেশ এর খরা প্রবণ এলাকায় তার প্রধান উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যেখানে পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি প্রধান ক্ষেত্রগুলির মধ্যে একত্রিত হয়। নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সুবিধাদি এবং অভ্যাসের অভাবের কারণে, লক্ষ্যবস্তু এলাকার মানুষ সবসময় ডায়রিয়া, টাইফয়েড, ডাইসেনটরি, ত্বক রোগ ইত্যাদি সব ধরনের জলজনিত রোগে ভুগছেন। এসব সমস্যা মোকাবেলার জন্য বিডিও বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সুবিধার উন্নতি এবং পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিষয়ক প্র্যাকটিসেস, জলের সিল করা ল্যাট্রিন, টিউব-ওয়েল ইন্সটলেশন এবং প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ ইত্যাদির সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য তার কর্মসূচী এলাকায়।  

আয় বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম (IGAs):

হোমস্টেড পর্যায়ে খাদ্য প্রাপ্যতা ও ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য,বিডিও গ্রাম মডেল ফরম (ভিএমএফ) গঠন, বাড়ির বাগান প্রতিষ্ঠা, প্রকল্প এলাকায় আল্ট্রা পোর (ইউপি) গ্রুপ গঠন, নগদ মাধ্যমে বিভিন্ন আয় বৃদ্ধি কর্মসূচি (আইজিএ) বাস্তবায়ন করছে। কাজের ক্রিয়াকলাপ, গ্রুপ বিপণন কার্যক্রম ইত্যাদি জন্য  

শিশু সুরক্ষা ও উন্নয়ন:

দুর্যোগ প্রবণ এলাকায় শিশুদের ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হতে দেখা যায়। শিশুদের সুরক্ষার জন্য সংস্থা প্রতিটি প্রকল্পেই শিশুদের উন্নয়নের জন্য কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকে।

প্রকল্পসমুহঃ

 
ক্রঃ নং প্রকল্পের নাম দাতা সংস্থা প্রকল্পের মেয়াদ কর্মএলাকা কর্মএলাকা লক্ষিত জনগোষ্ঠী অনুমোদিত বাজেট  
নারী পুরুষ
  ১ সাসটেইন্যাবল লাইভলীহুডস এন্ড এথনিক এমপাওয়ারমেন্ট প্রজেক্ট (স্লীপ) আঁন্ধেরী হিলফে, বন, জার্মানী জানুয়ারী-ডিসেম্বর, ২০১৭ নওগাঁ জেলাধীন নিয়ামতপুর উপজেলার ০৫টি ইউনিয়ন। ১২৫২ - ৪৭,৯১,১০০/-  
ক্লাইমেট প্রকল্প একশনএইড জানুয়ারী-২০১৩ হতে ডিসেম্বর, ২০২১ নওগাঁ জেলাধীন সাপাহার উপজেলার ০৩টি ইউনিয়ন ( গোয়ালা, পাতাড়ি ও তিলনা)। ৯০০ ৭০০   ২,১১৯,৯৯৪/-  
সমষ্টি কেয়ার জানুয়ারী-ডিসেম্বর, ২০১৭ রাজশাহী ও নাটোর জেলার ০৪টি উপজেলা        ৭২,৬৮,৭৯৩/-
এথনিক পিপলস ইনটিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্টেশন ফেব্রুয়ারী, ২০১৮-ডিসেম্বর, ২০১৭ নওগাঁ জেলাধীন নিয়ামতপুর উপজেলার ০১টি ইউনিয়ন     ২,৫০,০০০/-  
বিডিও-ঋণ প্রকল্প বিডিও জানুয়ারী, ২০০৮ হতে চলমান নওগাঁ জেলাধীন নিয়ামতপুর উপজেলার ০৬ টি ইউনিয়ন। ২৩১৫ ৭০২ ১,৩০,০০,০০০/-  
ভিজিডি প্রকল্প মহিলা বিষয়ক মন্ত্রনালয় মে, ২০১৩-ডিসেম্বর, ২০১৮ নওগাঁ জেলাধীন নিয়ামতপুর উপজেলার ০৮টি ইউনিয়ন।     ২০,৫৪,৬৪০/-  
সোলার ল্যাম্প ইনিশিয়েটিভস প্রজেক্ট আঁন্ধেরী হিলফে, বন, জার্মানী   জানুয়ারী-ডিসেম্বর, ২০১৮ নিয়ামতপুর উপজেলার ০৫টি ইউনিয়ন।     ১,০০০,০০০/-  
       
নিবন্ধন (নি:নং, সার্টিফিকেটের ছবি, সর্বশেষ নবায়নের তারিখ):
নি:নং নিবন্ধন অথরিটি সর্বশেষ নবায়নের তারিখ

 ৬৩৪

এনজিও বিষয়ক ব্যুরো ০৪.০৭.১৯৯২

 নওগাঁ -২২৫

 সমাজ সেবা অধিদপ্তর

৩০.০৭.১৯৯০

নং-১৬১ মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি

০৭.১২.২০১৪

     

ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ

  বিডিও’কে স্থায়ীত্বশীলতা অর্জনের লক্ষ্যে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে অর্থাৎ আত্মনির্ভরশীলতার মাধ্যমেই স্থায়ীত্বশীলতা অর্জন করতে হবে। সংস্থা বিষয়টি মাথায় রেখে স্থায়ীত্বশীলতা এবং আত্মনির্ভরশীলতাকে একই সরল রেখায় অর্থাৎ পর¯পরের পরিপূরক হিসাবে বিবেচনা করছে । আত্মনির্ভরশীলতা ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠান স্থায়ীত্বশীলতা অর্জন করতে পারে না, অন্যদিকে স্থায়ীত্বশীলতার শর্ত পূরণে সক্ষম প্রতিষ্ঠানই পারে আত্মনির্ভরশীল হতে। বিডিও একটি স্থায়ীত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে উঠার জন্যই জন্ম নিয়েছে এবং ধাপে ধাপে বিকশিত হচ্ছে। বিকশিত হচ্ছে তার কর্মীদের দক্ষতা, সাংগঠনিক শৃংখলা ও সক্ষমতা। সঙ্গে সঙ্গে সংস্থা আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের জন্য নিজস্ব সম্পদের সর্বোচ্চ যুক্তিসংগত ব্যবহার নিশ্চিত করবে। সংস্থা একদিকে কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পেশা ভিত্তিকরণ এবং আভ্যন্তরীন ব্যবস্থপনা আরো উন্নত করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, অন্যদিকে বাহ্যিক সম্পদ আকৃষ্ট ও গ্রহন পূর্বক তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে আত্মনির্ভরশীলতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে । দরিদ্র জনগেষ্ঠির নিজস্ব নেতৃত্বে বৃহত্তর সংগঠন তৈরী হবে যার মাধ্যমে স্থানীয় সম্পদে অংশীদারিত্ব সৃষ্টি এবং সরকারী বেসরকারী সম্পদ ও সুযোগ সুবিধায় তাদের অভিগম্যতা বৃদ্ধি পাবে। মানুষের মধ্যে যে বিচ্ছিন্নতা অদৃষ্টবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে তা কাটয়ে জাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা হবে। ফলে সামাজিক অন্যায্যতা ও কুসংস্কার দূরীভূত হবে। খাসজমি ও পুকুর আয়ত্বে এনে ভোগদখল করবে । অধিকাংশ দল সদস্য আত্মনির্ভরশীল হয়ে জীবনযাপন করবে। এতে আগাম শ্রম বিক্রয় ও মহাজনী শোষন হ্রাস পাবে। মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত হবে। নারীরা  আয়বর্ধনমূলক কর্মকান্ডে এগিয়ে আসবে এবং স্বামী-স্ত্রী যৌথ মতামতের মাধ্যমে সংসার পরিচালিত হবে। সামাজিক বনায়ন, শস্যাবর্তন ও রাসায়নিক সারের পাশাপাশি পরিবেশ সম্মত সার ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করণের মাধ্যমে খরা ও কৃষি বিপর্যয় হ্রাস পাবে। দরিদ্ররা স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সচতেন হবে এবং স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা স্থাপন ও ব্যবহারে এগিয়ে আসবে। বিশুদ্ধ পানির ব্যববহার নিশ্চিত হবে। পুষ্টিহীনতা  হ্রাস, মা ও শিশু মৃত্যুও জন্ম হার কমবে। বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ ওশিশু শ্রম হ্রাস পাবে। নারী ও শিশু পাচার রোধ এবং এইড্স্ ভয়াবহতা সম্পর্কে জনগন সচেতন হবে। আদিবাসী কমিউনিটিতে নেশা কমবে এবং নিজেদের উদ্যোগেইনজস্ব সংস্কৃতিচর্চা ও লালন করবে। অচ্ছ্যুতাবস্থা হ্রাস পাবে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ গড়ে উঠবে। তারা স্থানীয় প্রশাসনে অংশগ্রহন করতে পারবে ও সরকারী অফিস আদালতে প্রবেশ নিশ্চিত হবে। বিডিও তার কর্ম এলাকায় দরিদ্র মানুষদের বাসস্থান অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়াস অব্যাহত রাখবে এবং এর ফলে অধিকাংশ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের ঠিকানা পাবে। এর সাথে সাথে সিভিল সোসাইটি ও সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে নিয়মিত যোগাযোগের ভিত্তিতে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করার মাধ্যমে সংস্থা আত্ম-নির্ভরশীল হিসাবে গড়ে উঠবে। সংস্থা আত্ম-নির্ভরশীলতা অর্জনের লক্ষ্যে নিজস্ব আয় বৃদ্ধি মূলক কার্যক্রম গ্রহন করবে। বিডিও ট্রেনিং সেন্টার ব্যবহার করে সেখান থেকেও অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে লাভবান হবে। সর্বোপরি, প্রাথমিক স্টেকহোল্ডার ও সহযোগী স্টেকহোল্ডারদের সন্তুষ্টি বিধান আত্মনির্ভরশীলতার অন্যতম মূলশর্ত। কাজেই সংস্থাকে তার কাজের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীলতা ও স্থায়ীত্বের প্রশ্নটিকে ফয়সালা করবে। আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশের সমাজ ব্যবস্থা বহুমূখী সমস্যায় জর্জরিত। সকল সমস্যারই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার শিকার দরিদ্র জনগোষ্ঠি বিশেষতঃ নারী, শিশু ও আদিবাসী সম্প্রদায়। এ সকল নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া অর্থাৎ শোষন, বঞ্চনা, অবহেলা আর অধিকারহীনতা তাদের প্রতিনিয়তই সমস্যার অতল গহ্বরে নিক্ষিপ্ত করছে। তবে সমস্যা যেখানে সমাধানের সূত্রও সেখানেই নিহিত থাকে। তবে দরিদ্রদের একতা এবং সচেতন প্রয়াস অধিকাংশ সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্র তৈরী করতে পারে । দরিদ্ররা যদি সমস্যার কারণ বুঝতে পারে ঐক্যবদ্ধভাবে তা সমাধানের জন্য প্রয়াসী হয় তাহলে অধিকাংশ সমস্যা তারা নিজেরাই সমাধান করতে পারে। এখানে জনৈক মনিষীর একটি উক্তি স্মরণযোগ্য,‘‘আবশ্যিকতার উপলব্ধিই স্বাধীনতা।” দরিদ্রদের সমস্যাই তাদের করণীয় কর্তব্য নির্ধারণ করে দেয়। সংস্থা সামর্থানুযায়ী সে সব সমস্যা সমাধানে পর্যায়ক্রমে হাত দিবে। প্রতিটি সমস্যায় এক একটি ইস্যু। কোন ইস্যুটি আগে হাতে নেবে তা নির্ভর করবে এলাকার বাস্তব অবস্থা এবং সংস্থার সামর্থের উপর। প্রতিটি ইস্যু বাস্তবায়নের কিছু কৌশলগত দিক থাকে যেগুলোকে সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে সংস্থা সক্ষম হবে। যে ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইন কাঠামো সংস্কারের প্রশ্নও দেখা দিতে পারে। সমস্যা এবং করণীয় কর্তব্য অনেক কিন্তু সামর্থ কম। বাস্তব সামর্থকে ভিত্তি করেই সংস্থা কৌশল নির্ধারণ করবে এবং এলাকার দূর্দশাগ্রস্থ মানুষের আধিকার ও উন্নয়নে আপোহীনভাবে দৃঢ় পদভরে এগিয়ে যাবে।

কর্মকর্তা কর্মচারীদের তালিকাঃ

 
ক্রঃ নং কর্মকর্তা/ কর্মচারীর নাম পদবী ঠিকানা মোবাইল নং ছবি
বিডিও-লিঁয়াজো অফিস, প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ
  ১ আকতার হোসেন নির্বাহী পরিচালক বিডিও-লিঁয়াজো অফিস, প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।   ০১৭১২-০৫৪১৮৭  
কৌমুদি হোসেন প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিডিও-লিঁয়াজো অফিস, প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।      
বিডিও-ক্লাইমেট প্রকল্প, এলআরপি-৪৭, মেহেক ভিলা ( নিচতলা), গোডাউনপাড়া, সাপাহার, নওগাঁ
শামসুল হক সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার বিডিও-ক্লাইমেট প্রকল্প, এলআরপি-৪৭, মেহেক ভিলা ( নিচতলা), গোডাউনপাড়া, সাপাহার, নওগাঁ। ০১৭১৯-৬১২১৯৯  
জাহাঙ্গীর আলম ফাইন্যান্স এন্ড এডমিন অফিসার বিডিও-ক্লাইমেট প্রকল্প, এলআরপি-৪৭, মেহেক ভিলা ( নিচতলা), গোডাউনপাড়া, সাপাহার, নওগাঁ। ০১৭১৭-৪৮৬২৩৪  
সুদেশ চন্দ্র মুড়িয়ারী প্রোগ্রাম অফিসার বিডিও-ক্লাইমেট প্রকল্প, এলআরপি-৪৭, মেহেক ভিলা ( নিচতলা), গোডাউনপাড়া, সাপাহার, নওগাঁ। ০১৭৩৭-৯০৫১০৩  
কৃষ্ণ পাহান সাপোর্ট স্টাফ বিডিও-ক্লাইমেট প্রকল্প, এলআরপি-৪৭, মেহেক ভিলা ( নিচতলা), গোডাউনপাড়া, সাপাহার, নওগাঁ। ০১৭১৪-৫০৩৭১৮  
বিডিও-লিঁয়াজো অফিস, প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ
নাজমুল ইসলাম প্রকল্প সমন্বয়কারী বিডিও-লিঁয়াজো অফিস প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭২৪-১৮০৯৫০  
মোজাম্মেল হক   ফাইন্যান্স এন্ড এডমিন অফিসার             বিডিও-লিঁয়াজো অফিস প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭১৪-৫৬৮৮৩৪  
মাহফুজুর রহমান মনিটরিং অফিসার বিডিও-লিঁয়াজো অফিস প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭৩৭-২৪১৬৯৪  
১০ মুসলেম উদ্দীন মাঠ সংগঠক বিডিও-লিঁয়াজো অফিস প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭৪৫-৪৫৮৪২৮  
১১ বিলকিস খাতুন মাঠ সংগঠক বিডিও-লিঁয়াজো অফিস প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭৪৬-০১৪১২৬  
১২ সন্দীপ ঘোষ মাঠ সংগঠক বিডিও-লিঁয়াজো অফিস প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭৬৫-৫৭৪১৯৮  
১৩ কল্পনা খাতুন মাঠ সংগঠক বিডিও-লিঁয়াজো অফিস প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭৮৮-২৪৭৯২১  
১৪ আবু সায়েম মাঠ সংগঠক বিডিও-লিঁয়াজো অফিস প্রফেসরপাড়া, কলেজপাড়া, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭২৪-১৭৪১৭৭  
বিডিও-গাংগোর  ঋণ প্রকল্প অফিস, গাংগোর বাজার, নিয়ামতপুর, নওগাঁ
১৫ হাসেম আলী   মাঠ সংগঠক বিডিও-গাংগোর  ঋণ প্রকল্প অফিস, গাংগোর বাজার, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।   ০১৭২৬-৯৩১৪৫৪  
১৬ মনোয়ারা বেগম মাঠ সংগঠক বিডিও-গাংগোর  ঋণ প্রকল্প অফিস, গাংগোর বাজার, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭৪৪-৫৩২২৪৫  
১৭ জবেদা খাতুন মাঠ সংগঠক বিডিও-গাংগোর  ঋণ প্রকল্প অফিস, গাংগোর বাজার, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭২৩-৩০৬৩৭৩  
১৮ অর্চনা রানী মাঠ সংগঠক বিডিও-গাংগোর  ঋণ প্রকল্প অফিস, গাংগোর বাজার, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭৯৩-৩৬৫৫১২  
বিডিও-ইআইডিপি অফিস, বেলির মোড়, হাজিনগর, নিয়ামতপুর, নওগাঁ
১৯ মুসলেম উদ্দীন সুপারভাইজার বেলির মোড়, হাজিনগর, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।   ০১৭৪৫-৪৫৮৪২৮  
২০ মোজাম্মেল হক ফাইন্যান্স এন্ড এডমিন অফিসার বেলির মোড়, হাজিনগর, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। ০১৭১৪-৫৬৮৮৩৪
    ** কর্মএলাকা এছাড়াও রাজশাহী জেলার সমষ্টি প্রকল্পের ১৭ জন, ভিজিডি প্রকল্পের ১০ জন সাপোর্ট স্টাফ ২জন এবং খন্ডকালীন সময়ের জন্য নিয়োগকৃত ০৬জন স্টাফসহ মোট ৩৫ জন স্টাফ এই তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। অর্থাৎ বিডিও’র মোট স্টাফ সংখ্যা=৫৫ জন।